করোনা গরিবদের ধরে না, ওটা বড়লোকের অসুখ

0

নতুন করে করোনার সংক্রমণ দেশজুড়ে বাড়লেও দিনাজপুরের মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। কোনো ধরনের সামাজিক দূরত্ব নেই। মুখে নেই মাস্ক। অনেক দোকানে ‘নো মাস্ক নো সেল’ লেখা থাকলেও এর কোনো কার্যকারিতা দেখা যাচ্ছে না।এর আগে প্রশাসনের কঠোর নজরদারির কারণে ‘নো মাস্ক নো সেল’, ‘নো মাস্ক নো এন্ট্রি’সহ স্বাস্থ্য বিভাগের নানামুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়নে দিনাজপুর জেলায় করোনা সংক্রমণের হার কমে যায়। কিন্তু এখন প্রশাসনের ঢিলেঢালা ভাব, নজরদারি না করা, মানুষজনের স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও মাস্ক ব্যবহারে অনীহার কারণে আবার সংক্রমণের হার বাড়ছে। শহরে চলাফেরায় মাস্ক ব্যবহার দেখা গেলেও বিভিন্ন হাটবাজারসহ গ্রামাঞ্চলে এর ব্যবহার নেই বললেই চলে।তবে করোনার সংক্রমণ রোধে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।মাস্ক পরার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে মাহবুব হোসেন নামে এক ভ্যান চালক বলেন, ‘আগে যখন মাস্ক ব্যবহারে প্রশাসনের কড়াকড়ি ছিল, তখন মাস্ক ব্যবহার করতাম। এখন তো সবকিছু শিথিল হয়ে গেছে, যার কারণে আর মাস্ক ব্যবহার করি না। তাছাড়া করোনা আমাদের মতো গরিবদের ধরে না, ওটা বড়লোকের অসুখ, ওদের ধরে।’দিনাজপুর শহরের বাহাদুর বাজারে আসা গোলাম মওলা, সবুর চৌধুরীসহ অনেকে জানান, আগে বাজারে বিভিন্ন দোকানে মাস্ক ছাড়া পণ্য বিক্রি করা হতো না। প্রশাসনের নজরদারির কারণে মানুষজন মাস্ক ব্যবহার করত। ফলে সংক্রমণের হার অনেক কম ছিল। কিন্তু এখন তো মানুষজন কোনো কিছু মানছেন না। মুখে মাস্ক ব্যবহার করছেন না। স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। গাদাগাদি করে চলাফেরা করছেন। এ কারণে করোনা সংক্রমণের হার বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ‘করোনা গরিব কিংবা বড়লোক চিনে না। যে কেউ করোনায় আক্রান্ত হতে পারে। এতে করে বাজারে যেতে ভয় লাগে, তাই করোনার সংক্রমণরোধে খুব দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোসহ অন্যান্য পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি’, বলেন তারা। উল্লেখ্য, দিনাজপুর জেলায় এ পর্যন্ত প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন ৮৯,৫৪৫ জন।

Share.

About Author

Leave A Reply

hioidind