ফুর্তি করে বেকায়দায় রোনালদিনহো

0

নকল কাগজপত্রসহ বড় ভাইয়ের সঙ্গে প্যারাগুয়েতে এসেছিলেন রোনালদিনহো। কিন্তু পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিতে পারেননি তারা। ধরা পড়ে যান পুলিশের হাতে। আর ভুয়া কাগজপত্র নিয়ে আসায় দেশটির আদালত তাদের জেলে পুরে দেয়। কিন্তু রোনালদিনহো যতই ভুয়া কাগজপত্র নিয়ে আসুক না কেন তার একটা দাম রয়েছে। ৩ ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতাসহ বার্সার মতো বিশ্বসেরা ক্লাবে খেলেছেন।

আর তাই তো ৩২ দিন জেল খাটার পর তাকে জেল জীবন থেকে মুক্তি দিয়ে একটি হোটেলে গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ দেয় প্যারাগুয়ের আদালত। গৃহবন্দি মানে হলো কারো সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে না। আদালত যেখানে থাকতে বলবে সেই বাসা বা বাড়িতেই থাকতে হবে।

তবে এসব নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছেন রোনালদিনহো। তাকে যে হোটেলে গৃহবন্দি থাকতে বলা হয়েছিল সেখানে বাইরে থেকে নারী মডেল এনে ফুর্তি করেছেন তিনি। এমন খবর জানিয়েছে প্যারাগুয়ের সংবাদমাধ্যম এইচ ও ওয়াই এবং স্পেনিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা। প্যারাগুইয়ান সংবাদমাধ্যমটি জানায় যেসব নারীরা
রোনালদিনহোর কক্ষে গেছেন তারা সবাই দেখতে খুব সুন্দর। আর তাই তারা ধারণা করছে সেসব নারীরা পেশাদার মডেল।

এর মধ্যে বেশ কয়েকজন দেশটিতে কিছুটা পরিচিতও। ফলে যারা একটু পরিচিত তারা গাড়ি নিয়ে সেই হোটেলের একদম ভেতরে পৌঁছে যায়। আর যারা তেমন পরিচিত নয় তারা বাইরে এসেই নেমেছে। সংবাদমাধ্যমটি আরো জানায় যারাই রোনালদিনহোর কাছে এসেছিল তাদের প্রত্যেককে দামি উপহার দিয়ে খুশি করেছেন তিনি।

অবশ্য জেলে থাকা অবস্থায়ও অন্য বন্দিদের চেয়ে আলাদাভাবে জেলজীবন কাটিয়েছেন রোনালদিনহো। জেলের ভেতরে তার সময় কেটেছে ফুটবল খেলে। এমনকি তিনি যখন জেলে ছিলেন তখন নিজের ৪০ বছরে পা দেন তিনি। জেলে যেখানে ঠিকমতো অত্যাবশ্যকীয় চাহিদাগুলো অনেক সময় পাওয়া যায় না সেখানে রোনালদিনহো বার বি কিউ পার্টি করে নিজের ৪০তম জন্মদিন উদযাপন করেছিলেন।

রোনালদিনহো এমনিতেই আগে থেকে আমোদপ্রিয় ছিলেন। এখন জেল হোক আর গৃহবন্দি হোক সেই পুরনো অভ্যাস তো আর তার যায়নি। আর তাই তো এই বন্দি থাকার সময়টুকুও আমোদ-ফুর্তি করে কাটাচ্ছেন তিনি।

Share.

About Author

Leave A Reply

hioidind